দৈনিক চলনবিলের কথা
ঢাকাSaturday , 17 October 2020
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আলোচনা সভা
  8. ই-পেপার
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কুষি
  11. ক্রিকেট
  12. খুলনা
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. গাছ

চরফ্যাশন থানার ওসির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

chk24 a3
October 17, 2020 8:19 pm
Link Copied!

চরফ্যাশন থানার ওসির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

এস আর শাকিব খান, ভোলা প্রতিনিধিঃ


ভোলার চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার কুলছুমবাগ গ্রামের ফাতেমা অভিযোগ করেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা ৪২৩/২০নং পিটিশনের স্বাক্ষী আমার মেয়ের কাছে ১২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই পিটিশনের আসামি আরব আলী গংরা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তাকে অপহরণ চেষ্টা করেন এবং মারপিট করে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেন। ওই রাতেই তাকে আহত অবস্থায় চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করি। এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর চরফ্যাশন থানায় একটি এজাহার দাখিল করলে ওসি মনির হোসেন মিয়া এজাহারটি আমলে না নিয়ে উল্টো আসামি পক্ষের থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে আমি ও আমার স্বামীসহ সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নেন এবং থানার এসআই কেরামতকে আমার বাড়িতে পাঠিয়ে ৫০হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি ৫ হাজার টাকা দিয়া আমার অক্ষমতার কথা প্রকাশ করলে আমার স্বামীসহ সকলকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানোর হুমকি দেন। আমি ওসি মনিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে বলেন দাবীকৃত চাঁদা না দিলে সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিব এবং সবাইকে জেলে ধুকে ধুকে মরতে হবে। ওসির দাবি কৃত চাঁদা না দয়ায় ওই রাতেই আমার স্বামী ও চাচা শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেন। পরদিন এক সংবাদকর্মীকে সাথে নিয়ে থানায় গেলে পূর্বের দাবীকৃত চাঁদা পরিশোধ করতে বলেন। আমরা তাদের দাবি কৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ওসি আমাদের সাথে ওমানবিক আচরণ করেন। বৃহস্পতিবার ৪৮১ নং রেজিস্ট্রি ডাকে চরফ্যাশন থানার ওসি মনির হোসেন মিয়ার ক্ষমতার অপব্যবহার ও চাঁদা দাবীর বিচার চেয়ে ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম ভোলা পুলিশ সুপারের নিকট একটি এজাহার দাখিল করেছেন এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহা-পরিদর্শক, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মহা-পরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেছেন।
স্থানীয়ভাবে জানা যায়, ওসি মনির হোসেন মিয়া চরফ্যাশন থানা যোগদানের পর থেকেই তিনি বিতর্কিত ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনার মামলা না নেয়া এবং মিথ্যা মামলা নেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি এ থানায় যোগদানের পর থেকে এ এলাকায় খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে ওসি মনির হোসেন ব্যর্থ হয়েছেন। ধর্ষণ ও আইনশৃঙ্খলা অবনতি প্রতিবাদে গত শুক্রবার চরফ্যাশন সদরে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে চরফ্যাশন থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) কেরামত আলী বলেন, মামলা রুজু করার দায়িত্ব ওসির। মামলা হওয়ার পর ওসির নির্দেশে আসামি গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য না।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন মিয়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, অভিযোগ হওয়ার বিষয়টি জানি। তবে তার অভিযোগ মিথ্যা। ফাতেমা বেগম আমার কাছে কোন মামলা করতে আসেননি । তাছাড়া আসামিরা কত কথাই না বলে। তাদের কথা সত্য না।
ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিযোগের কপি নজরে আসেনি। কপি পেলে ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
x