দৈনিক চলনবিলের কথা
ঢাকাMonday , 9 May 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অপহরণ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আলোচনা সভা
  8. ই-পেপার
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কুষি
  11. ক্রিকেট
  12. খুলনা
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. গাছ

হায়া সুফিয়া রমজান মাস জুড়ে মুসল্লিদের পদচারণায় মুখরিত ছিল

chk24 a3
May 9, 2022 4:57 pm
Link Copied!

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক দৈনিক চলনবিলের কথা

 

 

প্রতিবছর শুধু মুসলিমরাই নয় অন্য ধর্মেরও হাজার হাজার পর্যটক একবার হলেও ঢুঁ মারেন হায়া সোফিয়ায়। বহু ইতিহাসের সাক্ষী হায়া সোফিয়াকে সর্বশেষ মসজিদ হিসেবে চালু করা হয় ২০২০ সালের ২৪ জুলাই। ৮৮ বছর পর মুসল্লিরা এবার প্রথম তারাবি আদায় করেছেন। পুরো রমজানে রঙিন চাদরে ঢাকা ছিল হায়া সোফিয়া। একসঙ্গে এক হাজার মানুষ এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারেন। ২০২০ সালের ১০ জুলাই তুরস্কের আদালত হায়া সোফিয়াকে জাদুঘরের মর্যাদা বাতিল করে মসজিদে রূপান্তরের আদেশ দেন। মসজিদ ছাড়া অন্যকিছু হিসেবে এটির ব্যবহারকে অবৈধ বলেও জানান আদালত।

 

 

পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এই স্থাপনাকে মসজিদে রূপান্তরে আদালতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মসজিদটি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন। রমজানজুড়ে মুসল্লিদের পদচারণায় মুখরিত ছিল হায়া সোফিয়া। পবিত্র রমজান মাস জুড়েই হায়া সোফিয়ায় ছিল নানা আয়োজন। এর আগে নামাজ আদায়ের জন্য খুলে দেওয়া হলেও করোনা মহামারি শুরুর পর স্বাস্থ্যবিধির কারণে গত দুই বছর ওই মসজিদে তারাবি নামাজ আদায় করা বারণ ছিল। ফলে মুসল্লিরা অন্য সময় নামাজ আদায় করলেও তারাবি নামাজ আদায়ের সুযোগ পাননি। অনেকদিন পর তারা এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদে তারাবি আদায়ের সুযোগ পেলেন এ বছর।

 

 

হায়া সোফিয়া ঐতিহাসিক যুদ্ধ এবং পরিবর্তনের কেন্দ্রীয় প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। স্মৃতিস্তম্ভটি সম্রাট, সুলতান এবং আধুনিক দিনের রাজনীতিবিদদের দ্বারা বারবার পরিবর্তনের খাতায় নাম লিখিয়েছে। বারবার পরিচয় বদলালেও অবকাঠামো ঠিক আগের মতোই আছে, বদলেছে শুধু রঙের প্রলেপ। রমজানজুড়ে মুসল্লিদের পদচারণায় মুখরিত ছিল হায়া সোফিয়া। অটোমান (ওসমান) বংশীয় সুলতান তৃতীয় মেহমেদ ১৪৫৩ সালে বাইজান্টাইন শাসকদের হাত থেকে ইস্তাম্বুল দখল করে নেন। এর আগ পর্যন্ত শহরটির নাম ছিল কনস্টান্টিনোপল। ইস্তাম্বুল দখলের পর বিজয়ী মুসলিম বাহিনী প্রথমবারের মতো গির্জার ভেতরে নামাজ আদায় করে। অটোমান শাসকরা এরপর হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন। মসজিদের চারপাশে চারটি মিনারও তৈরি করেন তারা।

 

 

এর পরের কয়েকশো বছর ধরে হায়া সোফিয়া ছিল অটোমান মুসলমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু। রমজানজুড়ে মুসল্লিদের পদচারণায় মুখরিত ছিল হায়া। সোফিয়া ১৯৩৪ সালে তুরস্কে ধর্মনিরপেক্ষতা চালু করার প্রক্রিয়ায় মসজিদটিকে জাদুঘরে রুপান্তর করা হয়। হায়া সোফিয়া এখন তুরস্কের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান বলে স্বীকৃত। প্রতিবছর ৩৭ লাখের বেশি পর্যটক এটি দেখতে পাড়ি জমান তুরস্কে। দীর্ঘদিন পর ঐতিহাসিক মসজিদ বিভিন্ন বয়সী মানুষ তারাবি নামাজ আদায় করেন। বহু মুসলমান এবারের রমজানে তারাবি নামাজ আদায় শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সবাই বলেন এই মসজিদটি যেন মৃত্যু পর্যন্ত মসজিদ ই থেকে যায়। তারা ঐতিহাসিক এ মসজিদে মৃত্যু পর্যন্ত নামাজ আদায় করে যাবেন বলেও জানান তারা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
x