Logo
শিরোনাম
কবিতা স্বপ্নের পদ্মা কবি বনশ্রী বড়ুয়া মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশের মেয়েরা কবিতা মেঠো রোদ্দু কবি রবীন্দ্রনাথ হালদার জননেতা শাহে আলম এমপি’র যুক্তরাষ্ট্রে আগমণ পাবনায় একসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম; নাম পদ্মা-সেতু-উদ্বোধন পদ্মা সেতু পার হওয়া প্রথম লেডি বাইকার রুবায়েত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে পাবনায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আজ ২৫শে জুন ২০২২ উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পদ্মাসেতু সারাদেশের বেশিরভাগ ক্রিকেট ব্যাটের চাহিদা পূরণ করছে যশোর না ফেরার দেশে সাবেক মিস ব্রাজিল গ্লেসি বহুল আলোচিত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ হবে ব্রাজিলে পাবনায় আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত পাবনায় টাইলসের এক্সক্লুসিভ শো-রুম খুলেছে সানিটা খাবার ও টাকা নিয়ে বানভাসিদের কাছে নায়ক-নায়িকারা সারা দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী পাবনায় ৩৬ মণ ওজনের স্বপ্নরাজ’র দাম ২০ লাখ ঢাকায় আসছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ভাঙ্গুড়া পৌরসভার ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরিকল্পনা ব্রাজিল কোচ তিতের

সমাবর্তনে অংশ না নিলেও দিতে হবে ফি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সমাবর্তনে অংশগ্রহণ না করতে পারলেও পরবর্তী সময়ে মূল সনদপত্র তুলতে সমপরিমাণ ফি দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানোর পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থীর মতে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ ধরনের সিদ্ধান্ত সমাবর্তনে অংশগ্রহণে বাধ্য করার প্রয়াস। তাদের কারো কারো মতে, পরবর্তী সময়ে বাড়তি টাকা আদায়ের জন্য এখন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

গত ৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমাবর্তনে অংশগ্রহণ না করে পরবর্তী সময়ে সনদপত্র নেওয়ার সময়ও নিয়মিত রেজিস্ট্রেশনের হারে ফি দিতে হবে। এ বিষয়ে কৃষি অনুষদের সপ্তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আতাউর রহমান শরীফ বলেন, এ ধরনের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে বাধ্য করার প্রয়াস। আনন্দঘন এবং কাঙ্ক্ষিত মানের আয়োজন করতে পারলে এমনিতেই বেশির ভাগ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করার কথা। সমাবর্তনে বক্তার নাম ঘোষণার অপেক্ষায়ও কেউ কেউ রেজিস্ট্রেশন করছে না বলে জেনেছি।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ১১ ব্যাচের শিক্ষার্থী হোসেন আলী বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন শিক্ষার্থী আছে যাদের স্বাভাবিক জীবন দুর্বিষহ, এমন অবস্থায় ২০৩০ টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা অনেকের জন্য কষ্ঠসাধ্য। এ ছাড়াও যারা সম্প্রতি গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছেন তাদের জন্যও এটা অনেক ব্যয়বহুল। সমাবর্তনে অংশগ্রহণ না করে ২০৩০ টাকা ফি দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হয়- এমনটা অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে হয় কি-না আমার জানা নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বলেন, আমাদের কাছে ডকুমেন্ট আছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করতে না পারলে সমপরিমাণ ফি দিয়ে মূল সনদপত্র নিতে হয়। সবার অংশগ্রহণটা যেন বাড়ে সেটাও চিন্তা করা হয়েছে। অংশগ্রহণে বাধ্য করার প্রয়াস কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা বাধ্য করা না এটাকে বলব উৎসাহিত করা। অনেকে আছে খামখেয়ালি করবে। রেজিস্ট্রেশন করবে না। আমরা চাই সমাবর্তনে সবাই আসুক। এ ছাড়াও সমাবর্তনে খরচের একটা ব্যাপার আছে। সবাই অংশগ্রহণ করলে আরো জাঁকজমকপূর্ণ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By SmartiTHost
x