Logo
শিরোনাম
সিংড়ায় হাই-কোর্ট থেকে রায় পাওয়ার পরও ভাতা পাচ্ছেনা মুক্তিযোদ্ধারা ভাঙ্গুড়ায় ঘর দেবার কথা বলে  টাকা নিয়ে ঘর না দিয়ে উল্টো মারধর।  কবিতার শিরোনামঃ বসন্ত সমাচার কবিঃ মারিয়া আক্তার রিয়া রাণীশংকৈলে মহান জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত রাণীশংকৈলে মুক্তা সুপার মার্কেটের উদ্বোধন কবিতার শিরোনাম দেশের ছবি,কবি নুরুল ইসলাম বাবুল বেঙ্গল সিমেন্ট নিবেদিত বাংলার গায়েন’র চ্যাম্পিয়ন পাবনা চাটমোহরের রাসেল। পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শরীফ প্রধান মেয়র নির্বাচিত সিংড়া পৌরসভায় ফেরদৌস পুনরায় নির্বাচিত রাণীশংকৈল পৌর নির্বাচনে নৌকা আ’লীগের ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী বহিস্কার ভাঙ্গুড়ায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মুমূর্ষ দুই যুবক রুনু ভেরোনিকা কস্তা: বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম ভ্যাকসিন বা টিকা নিলেন যে নার্স এম পি হিসেবে প্রথম টিকা নিলেন চলনবিলের কৃতি সন্তান জুনাইদ আহমেদ পলক কবিতার শিরোনামঃ আমি ধোকাবাজ, কবি দোলনা বড়ুয়া তৃষা। রাণীশংকৈলে দিন ব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধন আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের স্মরন সভায় কেন্দ্রীয় নেতাসহ পটুয়াখালীর সকল নেতা কর্মী হাজির রাণীশংকৈলে ধান রোপণ যন্ত্রের মাধ্যমে ধানের চারা কার্যক্রমের উদ্বোধন সিংড়ায় ধানের শীষের প্রচারণায় হামলা, ছাত্রদল নেতা আহত দক্ষ সাংগাঠনিক নেতৃত্বে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন রাণীশংকৈলে পৌর নির্বাচনে সকল প্রার্থী বৈধ ঘোষণা নির্বাচন অফিসার

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গার্ড অব অনার প্রদান করে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এরপর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ১৪ ডিসেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার এই নীলনকশা প্রণয়ন করে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।

বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা আজ পর্যন্ত গণনা করা হয়নি। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ’ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এদের মধ্যে ৯৯১ জন ছিলেন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী এবং ১৬ জন সাহিত্যিক, শিল্পী ও প্রকৌশলী। বুদ্ধিজীবী নিধনের এ তালিকায় ঢাকা বিভাগে ২০২ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয় । চট্টগ্রাম বিভাগে ২২৪ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। খুলনা বিভাগে ২৮০ জন শিক্ষক ও ছয়জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। রাজশাহী বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষক ও ১৫ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। তবে এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম ছিল না।

যাদের হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিক ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী, সেলিনা পারভীন। এছাড়া শিল্পী আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার, মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরো অসংখ্য নাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By ThemesWala.Com