Logo
শিরোনাম
পাবনায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় জামান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক সুমনের বিরুদ্ধে মামলা সিংড়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ভাঙ্গুড়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ভাঙ্গুড়ায় কোভিড-১৯ পরবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনরায় চালুকরণের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা ভাঙ্গুড়ায় ওয়াশ ব্লক নির্মাণ কাজের উদ্ধোধন ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন পরীমনি ভাঙ্গুড়ায় বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করোনা কালীন হেল্প সেন্টারের উদ্বোধন হন্তারক ★★ -পিএম. জাহিদ জীবন যেখানে যেমন পদ্মা সেতুর স্প্যানে ফেরির মাস্তুলের ‘ধাক্কার’ খবর, পরির্দশনে যাচ্ছে একটি দল মহান নেতা ★★ফেরদৌসী খানম রীনা আমাদের দেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ খাদ্যমন্ত্রী মেঘ কন্যা চাঁদে ★ কবি হাবিবুর রহমান  চলনবিলে শাপলার সমাহার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ভরা চলনবিল মাছ শূন্য উল্লাপাড়ায় গৃহবধুকে চায়ের স্টল হতে তুলে নিয়ে রাতভর আমবাগানে গণধর্ষন ১০-১১ জনের দলের ডি মারিয়া-এমবাপেতে ভর করে ছয় গোলের রোমাঞ্চে জিতল পিএসজি সিংড়ায় সেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সিংড়ায় বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত গ্রামে জাতীয় শোক দিবস পালন

শীতে কাঁপছে দেশ

রাজধানীসহ সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। কনকনে হিম বয়ে আনা বাতাসে উঠছে হাড় কাঁপুনি। ঢাকায় রাতের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হঠাৎ চলে আসা এই ঠাণ্ডা ‍অনুভূতিতে মানিয়ে নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

খবর আসছে, হঠাৎ করে ঠাণ্ডার এ আক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছেন নানা রোগে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ার কারণে ঠাণ্ডার অনুভূতি বাড়ে। বর্তমানে রাজধানীতে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় অর্ধেক কমে এসেছে। তারপরও রয়েছে ‘উত্তরা বাতাস’। ফলে মড়ার ওপর খাড়ার ঘা’র অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর তাপমাত্রা কমবে। ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে ব্যারোমিটারের পারদ। দিনের তাপমাত্রা এখন ২০ ডিগ্রি সেলিসিয়াসে আছে। এটা আরো নিচে নেমে এলে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য আরও কমে যাবে। ফলে ঠাণ্ডার অনুভূতি আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসছে বাতাস, যেটাকে আমরা ‘উত্তরা বাতাস’ বলে থাকি। ঢাকায় বর্তমানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার। এই বাতাস কনকনে হিম বয়ে এনে হাড় কাঁপুনির সৃষ্টি করেছে। এই বাতাস না থাকলে দিনের তাপমাত্রা এতো কমতো না। আর এতো ঠাণ্ডাও অনুভূত হতো না। ৯-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এতো ঠাণ্ডা অনুভূত হয়না, যদি রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য বেশি থাকে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজধানীতে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। এমন অবস্থা দু’দিন থাকার পর সূর্যকিরণ আবার আগের মতো পাওয়া যাবে। স্থান ভেদে ২১ ও ২২ ডিসেম্বরের দিকে ঠাণ্ডা অনুভূতি কমে আসবে। এরপর আসতে পারে নিম্নচাপ। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ মাঝারী (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) ধরণের শৈত্যপ্রবাহের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে দেশবাসীকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By SmartiTHost