Logo
শিরোনাম
কবি -পিএম. জাহিদের ধারাবাহিক সিরিজ কবিতা ” নীলকষ্টের পরিক্রমা ২” আমি ছুয়ে যাই শিরোনামে কবি হাবিবুর রহমানের লেখা কবিতা কবি সাজিয়া আফরিনের কবিতা “এইতো জীবন “। কবি পি এম জাহিদের ধারাবাহিক কবিতা “নীলকষ্ঠের পরিক্রমা-০১” নোবেলের ‘মেহেরবান’ আসছে ২৫ রোজার পর কবি মোঃ আমিনুল ইসলাম মিন্টুর সমসাময়িক পরিস্থিতির কবিতা ” সমাজ এখন জিম্মি “। পাবনায়১২ কেজি গাঁজাসহ এসআই ওছিম গ্রেপ্তার। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পরিদর্শন করলেন এসপি খাইরুল আলম কুষ্টিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অবরুদ্ধ কৃষক সৈয়দ বেলাল হোসেন পাবেল এর নেতৃত্বে ধান কাটলো পটুয়াখালী জেলা ছাত্র লীগ সাতদিনেই ভেঙ্গে গেলো শ্রাবন্তীর ভালোবাসার সংসার ভোলায় এক মাসে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫ হাজারের অধিক ॥ পানিতে মিলেছে ডায়রিয়া জীবানু সিংড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ মেম্বার সহ আহত -৯ বিশ্ব বই দিবস আজ: যেভাবে এলো দিনটি কবি পিএম. জাহিদের মেথরের বেটি- ২ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রিমা নামের এক নববধূর লাশ উদ্ধার ইফতার সামগ্রী বিতরণ করলেন “চিকনিকান্দী সেচ্ছাসেবক সংগঠন” কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হাত পা বাঁধা অবস্থায় কৃষকের লাশ উদ্ধার কবি “নূর জাহান” এর কবিতা “বাঁজিছে দামামা”।

ভোলায় নিষেধাজ্ঞার আগ মুহূর্তে ইলিশ বেঁচা-কেনার ধুম।

ভোলায় নিষেধাজ্ঞার আগ মুহূর্তে ইলিশ বেঁচা-কেনার ধুম

এস আর শাকিব খান, ভোলা প্রতিনিধিঃ


মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের আগমুহূর্তে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে জেলেদের রূপালী জালে সোনালী ইলিশের দেখা মিলেছে। ইলিশে সয়লাব জেলার ছোট বড় শতাধিক মাছ ঘাট। আর তাই নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিন রাত ইলিশ ধরা আর মোকামে চালান করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা। এদিকে মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে কাঙ্খিত ইলিশের দেখা মেলায় জেলেদের মধ্যে খুশির আমেজ, কিন্তু মহাজনের ধার দেনা পরিশোধের আগেই নিষেধাজ্ঞার কারণে হতাশ মৎসজীবীরা।সরেজমিনে জেলার একাধিক মাছঘাট ঘুরে জানা গেছে, আগামী ১৪ই অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞার কারণে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে সব ধরনে মাছ ধরা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই নষ্ট করার মতো সময় নেই ইলিশ শিকারীদের হাতে। জাল টেনে যা পাচ্ছে তা আড়তে রেখে আবার ছুটছে নদীতে। নিষেধাজ্ঞার আগ মুহুর্তে ইলিশের দেখা মিলেছে ভোলার জেলেদের জালে। সারাবছরের অপেক্ষার যেন কিছুটা অবসান ঘটিয়ে ঘাটগুলোতে ফিরে এসেছে কর্ম ব্যস্ততা। গত কয়েক মাস ধরে যে ঘাটগুলোতে সুনসান নীরবতা ছিল এখন সেখানে জেলে ও পাইকারদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠেছে।ইলিশের দাম বেশী হওয়ায় জেলেরা যেমন লাভবান হচ্ছে তেমনি মৎস্য আড়ৎদারগনও তাদের লোকসান পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু আগামী ১৪ই অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানকে ঘিরে নতুন করে শংকা দেখা দিয়েছে জেলেদের মাঝে। এ সময় কথা হয় সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের জেলে ইসমাইল মাঝি, খলিল মাঝিসহ ১০-১২ জনের সাথে। তারা জানান, প্রতি বছরেই আকাল কাটিয়ে নদীতে যখন ইলিশ আসতে শুরু করে তখনই নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। এতে করে তারা ক্ষতির মধ্যেই থেকে যাচ্ছে। তাই অভিযান আরো ১৫ দিন পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানান তারা। সেই সাথে সকল জেলেদেরকে সরকারি সহায়তার চাল দেয়ার দাবিও করেন তারা। অপরদিকে ইলিশা মাছঘাটের আড়তদার মোঃ শাাহাবুদ্দিন, রুবেল বেপারী ও ইউনুছ মিয়া জানান, দীর্ঘ দিন নদীতে মাছ না থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা জেলেদেরকে লাখ লাখ টাকা দাদন দিয়ে বেকার বসে ছিলো। গত কয়েক দিন ধরে নদীতে মাছের দেখা মেলায় কিছুটা ক্ষতি পুসিয়ে নেয়ার আশা ছিলো। কিন্তু ১৪ই অক্টোবর থেকে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান শুরু হলে এ বছর লোকসানের মুখে পরতে হবে। ভোলার মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. আজহারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে ইলিশের উৎপাদনের যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জন করা সম্ভব হবে।
এ বছর ভোলা জেলায় ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন। মৌসুমের প্রথম ৩ মাসেই ধরা পড়েছে প্রায় ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By ThemesWala.Com