Logo
শিরোনাম
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে পাবনায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আজ ২৫শে জুন ২০২২ উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পদ্মাসেতু সারাদেশের বেশিরভাগ ক্রিকেট ব্যাটের চাহিদা পূরণ করছে যশোর না ফেরার দেশে সাবেক মিস ব্রাজিল গ্লেসি বহুল আলোচিত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ হবে ব্রাজিলে পাবনায় আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত পাবনায় টাইলসের এক্সক্লুসিভ শো-রুম খুলেছে সানিটা খাবার ও টাকা নিয়ে বানভাসিদের কাছে নায়ক-নায়িকারা সারা দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী পাবনায় ৩৬ মণ ওজনের স্বপ্নরাজ’র দাম ২০ লাখ ঢাকায় আসছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ভাঙ্গুড়া পৌরসভার ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরিকল্পনা ব্রাজিল কোচ তিতের মার্সেলো-আলভেজকে তার ক্লাবে চান রোনালদো ফের পেছালো সম্রাটের জামিন শুনানি করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তে শীর্ষে তাইওয়ান; দ্বিতীয় রাশিয়া সুফিয়া কামালের ১১১তম জন্মবার্ষিকী আজ বন্যায় সহজ যোগাযোগে পদ্মা সেতু আশীর্বাদ সীমিত পরিসরে শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি রুটে ফেরি চলাচল শুরু

অভয়নগরে আলুর মুল্য লাগামহীন, মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা

অভয়নগরে আলুর মুল্য লাগামহীন, মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা

মো: কামাল হোসেন যশোর জেলা প্রতিনিধি


ভোক্তা পর্যায়ে আলুর দাম সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি নির্ধারণ করে দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। এই দরে আলু বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করতে সম্প্রতি ৬৪ জেলার প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি, পাশাপাশি ৩৮ থেকে ৪২ টাকায় প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে বিক্রির বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের চিঠিতে আরও বলা হয়, একজন চাষীর প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ হয়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা। এমতাবস্থায় হিমাগার পর্যায় থেকে প্রতি কেজি আলুর মূল্য ২৩ টাকা, পাইকারি/আড়তের এর মূল্য ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩০ টাকা হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু বাজারে দেখা যাচ্ছে যে, প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে ৩৮ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা অযৌক্তিক ও কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা মূল্যে খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে।এই মূল্যে কোল্ডস্টোরেজ, পাইকারি বিক্রেতা এবং ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতাসহ তিন পক্ষই যাতে আলু বিক্রয় করেন, এজন্য কঠোর মনিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ডিসিদের অনুরোধ জানানো হলেও অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া বড় বাজার, নুরবাগ কাঁচা বাজার, বৌ বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ – ৪৭ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছে,অধিকাংশ দোকানে নেই মুল্য তালিকা। কিছু দোকানে মুল্য তালিকা থাকলেও আলুর মুল্য তালিকার ঘর ফাঁকা।
নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশী মুল্যে আলু বিক্রির কারন জানতে চাইলে দোকানিরা বলেন, আমরা কিনতে না পারলে বিক্রি করব কিভাবে…?
আমাদের আড়তদারদের কাছ থেকে ৪১-৪২ টাকা কেজি দরে কিনতে হয় সেক্ষেত্রে আমরা বিক্রি করব কত টাকা কেজি দরে…?
কয়েকটি আড়তে খোঁজ নিয়ে মেলে ঘটনার সত্যতা। অড়তে আলুর মুল্য তাকিকায় দেখা যায় কেজি প্রতি দর ৩৯-৪১ টাকা দেওয়া আছে।
এ বিষয়ে কয়েকজন সাধারন ক্রেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, হটাৎ করে আলুর মুল্য বৃদ্ধির পেছনে একশ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট জড়িত, সঠিক মনিটরিং এর আভাবে এ সিন্ডিকেট গুলো যেমন খুশী তেমন করে দাম নির্ধারণ করে অধিক মোনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে।
যার ফল ভোগ করছে সাধারন ক্রেতারা।
এ সময় তারা আলুর বাজার মুল্য স্বাভাবিক রাখতে যথাযথ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সঠিক মনিটরিং করে অসাধু সিন্ডিকেট গুলোকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By SmartiTHost