Logo
শিরোনাম
দীঘির ছবির ট্রেলার দেখে এমবির টাকা ফেরত চাইছেন দর্শকরা! জামালপুরের মেলান্দহ থানায় এক বিদায়ি সংবর্ধনা অনুষ্টিত। ঠাকুরগাঁওয়ের সড়ক দুর্ঘটনায় বিআরটিএ কর্মকর্তা নিহত এইচ টি ইমাম আর নেই রাণীশংকৈলে মেয়র-কাউন্সিলরদের সম্মানার্থে মহিলা প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত জামালপুর সদরে এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাণীশংকৈলে জাতীয় বীমা দিবস পালিত সিংড়ায় হাই-কোর্ট থেকে রায় পাওয়ার পরও ভাতা পাচ্ছেনা মুক্তিযোদ্ধারা ভাঙ্গুড়ায় ঘর দেবার কথা বলে  টাকা নিয়ে ঘর না দিয়ে উল্টো মারধর।  কবিতার শিরোনামঃ বসন্ত সমাচার কবিঃ মারিয়া আক্তার রিয়া রাণীশংকৈলে মহান জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত রাণীশংকৈলে মুক্তা সুপার মার্কেটের উদ্বোধন কবিতার শিরোনাম দেশের ছবি,কবি নুরুল ইসলাম বাবুল বেঙ্গল সিমেন্ট নিবেদিত বাংলার গায়েন’র চ্যাম্পিয়ন পাবনা চাটমোহরের রাসেল। পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শরীফ প্রধান মেয়র নির্বাচিত সিংড়া পৌরসভায় ফেরদৌস পুনরায় নির্বাচিত রাণীশংকৈল পৌর নির্বাচনে নৌকা আ’লীগের ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী বহিস্কার ভাঙ্গুড়ায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মুমূর্ষ দুই যুবক রুনু ভেরোনিকা কস্তা: বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম ভ্যাকসিন বা টিকা নিলেন যে নার্স এম পি হিসেবে প্রথম টিকা নিলেন চলনবিলের কৃতি সন্তান জুনাইদ আহমেদ পলক

অভয়নগরে আলুর মুল্য লাগামহীন, মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা

অভয়নগরে আলুর মুল্য লাগামহীন, মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা

মো: কামাল হোসেন যশোর জেলা প্রতিনিধি


ভোক্তা পর্যায়ে আলুর দাম সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি নির্ধারণ করে দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। এই দরে আলু বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করতে সম্প্রতি ৬৪ জেলার প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি, পাশাপাশি ৩৮ থেকে ৪২ টাকায় প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে বিক্রির বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের চিঠিতে আরও বলা হয়, একজন চাষীর প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ হয়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা। এমতাবস্থায় হিমাগার পর্যায় থেকে প্রতি কেজি আলুর মূল্য ২৩ টাকা, পাইকারি/আড়তের এর মূল্য ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩০ টাকা হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু বাজারে দেখা যাচ্ছে যে, প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে ৩৮ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা অযৌক্তিক ও কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা মূল্যে খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে।এই মূল্যে কোল্ডস্টোরেজ, পাইকারি বিক্রেতা এবং ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতাসহ তিন পক্ষই যাতে আলু বিক্রয় করেন, এজন্য কঠোর মনিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ডিসিদের অনুরোধ জানানো হলেও অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া বড় বাজার, নুরবাগ কাঁচা বাজার, বৌ বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ – ৪৭ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছে,অধিকাংশ দোকানে নেই মুল্য তালিকা। কিছু দোকানে মুল্য তালিকা থাকলেও আলুর মুল্য তালিকার ঘর ফাঁকা।
নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশী মুল্যে আলু বিক্রির কারন জানতে চাইলে দোকানিরা বলেন, আমরা কিনতে না পারলে বিক্রি করব কিভাবে…?
আমাদের আড়তদারদের কাছ থেকে ৪১-৪২ টাকা কেজি দরে কিনতে হয় সেক্ষেত্রে আমরা বিক্রি করব কত টাকা কেজি দরে…?
কয়েকটি আড়তে খোঁজ নিয়ে মেলে ঘটনার সত্যতা। অড়তে আলুর মুল্য তাকিকায় দেখা যায় কেজি প্রতি দর ৩৯-৪১ টাকা দেওয়া আছে।
এ বিষয়ে কয়েকজন সাধারন ক্রেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, হটাৎ করে আলুর মুল্য বৃদ্ধির পেছনে একশ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট জড়িত, সঠিক মনিটরিং এর আভাবে এ সিন্ডিকেট গুলো যেমন খুশী তেমন করে দাম নির্ধারণ করে অধিক মোনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে।
যার ফল ভোগ করছে সাধারন ক্রেতারা।
এ সময় তারা আলুর বাজার মুল্য স্বাভাবিক রাখতে যথাযথ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সঠিক মনিটরিং করে অসাধু সিন্ডিকেট গুলোকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By ThemesWala.Com