Logo
শিরোনাম
জনগুরুত্বপুর্ণ রাস্তার বেহাল দশাঃসংস্কার চাই। ইসরাইলের বর্বরতার বিরুদ্ধে স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর সিংড়ায় রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা রমানাথপুরসহ কয়েকটি গ্রামের অর্ধশত পরিবার পেলো  ঈদ সামগ্রী উপহার কুয়াবাসী গ্রামের ১০০ পরিবার পেলো ঈদ উপহার কবিতা ভালোবাসার লাল গোলাপ কবি সাজিয়া আফরিন কবি -পিএম. জাহিদের ধারাবাহিক সিরিজ কবিতা ” নীলকষ্টের পরিক্রমা ২” আমি ছুয়ে যাই শিরোনামে কবি হাবিবুর রহমানের লেখা কবিতা কবি সাজিয়া আফরিনের কবিতা “এইতো জীবন “। কবি পি এম জাহিদের ধারাবাহিক কবিতা “নীলকষ্ঠের পরিক্রমা-০১” নোবেলের ‘মেহেরবান’ আসছে ২৫ রোজার পর কবি মোঃ আমিনুল ইসলাম মিন্টুর সমসাময়িক পরিস্থিতির কবিতা ” সমাজ এখন জিম্মি “। পাবনায়১২ কেজি গাঁজাসহ এসআই ওছিম গ্রেপ্তার। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পরিদর্শন করলেন এসপি খাইরুল আলম কুষ্টিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অবরুদ্ধ কৃষক সৈয়দ বেলাল হোসেন পাবেল এর নেতৃত্বে ধান কাটলো পটুয়াখালী জেলা ছাত্র লীগ সাতদিনেই ভেঙ্গে গেলো শ্রাবন্তীর ভালোবাসার সংসার ভোলায় এক মাসে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫ হাজারের অধিক ॥ পানিতে মিলেছে ডায়রিয়া জীবানু সিংড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ মেম্বার সহ আহত -৯

জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ

জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ সফল নারী ক্যাটগরীতে পাবনা জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা আমেনা খাতুন । 

নিজস্ব প্রতিবেদক দৈনিক চলনবিলের কথা


“ জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ ” শীর্ষক কার্যক্রমে ভাঙ্গুড়া উপজেলার নির্বাচিত সফল / শ্রেষ্ঠ জয়িতার জীবন বৃত্তান্ত । সফল জননী নারী ও ভাঙ্গুড়া পৌরসভার আমেনা খাতুন স্বামী মৃত সেরাজুল ইসলাম , তকালীন সময়ে নারী শিক্ষার কোন ব্যবস্থা না থাকা সত্বেও স্বেচ্ছায় বাবার বাড়ীতে কোরআন সহ বাংলা লেখাপড়া করেন । অল্প বয়সেই তিনি বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হয়ে স্বামীর বাড়ীতে অবস্থান করেন । কিন্তু অল্প কিছুদিন |

পরই অসুস্থতার কারণে তাঁর চাকুরীজীবী স্বামী চাকুরী ছেড়ে বাড়ী চলে আসেন এবং তখন হতেই সংসারের আর্থিক অনটন দেখা দেয় এবং তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে সংসারের হাল ধরেন । সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ থাকা সত্বেও স্বামীর কয়েক বিঘা জমির ফসল বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের লেখাপড়াসহ সমস্ত খরচাদী বহন করে সংসার চালাতে থাকেন ।

১৯৭২ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তাঁর স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত হন । এই সময় সংসারের আর্থিক অবস্থা আরও সঙ্গীন হয়ে পওে এবং বাধ্য হয়ে ৩ ছেলে পড়াশােনা ছেড়ে দিয়ে সংসারের হাল ধরেন । ১৯৭৭ সালে তাঁর স্বামী পরলােক গমন করার পর তিনি বড় কয়েক ছেলের সহযােগীতায় ছােট ছেলেমেয়েদের পড়াশােনা চালিয়ে যেতে সাহসী ভূমিকা পালন করেন । এবং ছােট ৬ ছেলে ও ৩ মেয়েকে সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে সু – প্রতিষ্ঠিত করেন । তার ৯ ছেলে ও ৩ কন্যা সকলেই শিক্ষা || প্রতিষ্ঠান সহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে সু – প্রতিষ্ঠিত । তার বড় ছেলে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ || বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে চাকুরীরত থেকে অবসর গ্রহন করেছেন । অন্য ২ ছেলে সরকারি হাজী |

 

জামাল উদ্দিন ডিগ্রী ( অনার্স ) কলেজে শিক্ষকতা পেশায় নিয়ােজিত । ১ ছেলে বি , এস , সি ইঞ্জিনিয়ার । || ডি , জি , এম হিসাবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মরত । ৩ ছেলে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে অবসরপ্রাপ্ত । ১ ছেলে ব্র্যাক বাংলাদেশ এ অফিসার হিসাবে ঢাকায় কর্মরত । ছােট ছেলে ডি , জি , এম || হিসাবে রুপালী ব্যাংক লিঃ বাংলাদেশ এ কর্মরত । তার ৩ মেয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি || প্রতিষ্ঠানে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত এবং বেশ সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন । দারিদ্রতা সাথে সংগ্রাম করে যেভাবে সন্তান – সন্ততিদের শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত করেছেন তা বিরল । তিনি বর্তমানে সন্তান – সন্ততি , নাতি – নাতনিদের সঙ্গে একান্নবর্তী পরিবারে বসবাস করে আসছেন । আমেনা || খাতুনকে এলাকার জনগণ একজন ভাগ্যবতি ও রত্নগর্ভা মা হিসেবে গণ্য করে এবং অত্র পরিবারের সকল সদস্যগণের সমাজে প্রতিষ্ঠার পিছনে তাঁর অবদান শতভাগ বলে সবাই মনে করে । আমরা আমেনা খাতুনের সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By ThemesWala.Com