Logo
শিরোনাম
কবিতা স্বপ্নের পদ্মা কবি বনশ্রী বড়ুয়া মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশের মেয়েরা কবিতা মেঠো রোদ্দু কবি রবীন্দ্রনাথ হালদার জননেতা শাহে আলম এমপি’র যুক্তরাষ্ট্রে আগমণ পাবনায় একসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম; নাম পদ্মা-সেতু-উদ্বোধন পদ্মা সেতু পার হওয়া প্রথম লেডি বাইকার রুবায়েত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে পাবনায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আজ ২৫শে জুন ২০২২ উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পদ্মাসেতু সারাদেশের বেশিরভাগ ক্রিকেট ব্যাটের চাহিদা পূরণ করছে যশোর না ফেরার দেশে সাবেক মিস ব্রাজিল গ্লেসি বহুল আলোচিত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ হবে ব্রাজিলে পাবনায় আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত পাবনায় টাইলসের এক্সক্লুসিভ শো-রুম খুলেছে সানিটা খাবার ও টাকা নিয়ে বানভাসিদের কাছে নায়ক-নায়িকারা সারা দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী পাবনায় ৩৬ মণ ওজনের স্বপ্নরাজ’র দাম ২০ লাখ ঢাকায় আসছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ভাঙ্গুড়া পৌরসভার ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরিকল্পনা ব্রাজিল কোচ তিতের

জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ

জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ সফল নারী ক্যাটগরীতে পাবনা জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা আমেনা খাতুন । 

নিজস্ব প্রতিবেদক দৈনিক চলনবিলের কথা


“ জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ ” শীর্ষক কার্যক্রমে ভাঙ্গুড়া উপজেলার নির্বাচিত সফল / শ্রেষ্ঠ জয়িতার জীবন বৃত্তান্ত । সফল জননী নারী ও ভাঙ্গুড়া পৌরসভার আমেনা খাতুন স্বামী মৃত সেরাজুল ইসলাম , তকালীন সময়ে নারী শিক্ষার কোন ব্যবস্থা না থাকা সত্বেও স্বেচ্ছায় বাবার বাড়ীতে কোরআন সহ বাংলা লেখাপড়া করেন । অল্প বয়সেই তিনি বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হয়ে স্বামীর বাড়ীতে অবস্থান করেন । কিন্তু অল্প কিছুদিন |

পরই অসুস্থতার কারণে তাঁর চাকুরীজীবী স্বামী চাকুরী ছেড়ে বাড়ী চলে আসেন এবং তখন হতেই সংসারের আর্থিক অনটন দেখা দেয় এবং তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে সংসারের হাল ধরেন । সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ থাকা সত্বেও স্বামীর কয়েক বিঘা জমির ফসল বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের লেখাপড়াসহ সমস্ত খরচাদী বহন করে সংসার চালাতে থাকেন ।

১৯৭২ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তাঁর স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত হন । এই সময় সংসারের আর্থিক অবস্থা আরও সঙ্গীন হয়ে পওে এবং বাধ্য হয়ে ৩ ছেলে পড়াশােনা ছেড়ে দিয়ে সংসারের হাল ধরেন । ১৯৭৭ সালে তাঁর স্বামী পরলােক গমন করার পর তিনি বড় কয়েক ছেলের সহযােগীতায় ছােট ছেলেমেয়েদের পড়াশােনা চালিয়ে যেতে সাহসী ভূমিকা পালন করেন । এবং ছােট ৬ ছেলে ও ৩ মেয়েকে সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে সু – প্রতিষ্ঠিত করেন । তার ৯ ছেলে ও ৩ কন্যা সকলেই শিক্ষা || প্রতিষ্ঠান সহ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে সু – প্রতিষ্ঠিত । তার বড় ছেলে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ || বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে চাকুরীরত থেকে অবসর গ্রহন করেছেন । অন্য ২ ছেলে সরকারি হাজী |

 

জামাল উদ্দিন ডিগ্রী ( অনার্স ) কলেজে শিক্ষকতা পেশায় নিয়ােজিত । ১ ছেলে বি , এস , সি ইঞ্জিনিয়ার । || ডি , জি , এম হিসাবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মরত । ৩ ছেলে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে অবসরপ্রাপ্ত । ১ ছেলে ব্র্যাক বাংলাদেশ এ অফিসার হিসাবে ঢাকায় কর্মরত । ছােট ছেলে ডি , জি , এম || হিসাবে রুপালী ব্যাংক লিঃ বাংলাদেশ এ কর্মরত । তার ৩ মেয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি || প্রতিষ্ঠানে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত এবং বেশ সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন । দারিদ্রতা সাথে সংগ্রাম করে যেভাবে সন্তান – সন্ততিদের শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত করেছেন তা বিরল । তিনি বর্তমানে সন্তান – সন্ততি , নাতি – নাতনিদের সঙ্গে একান্নবর্তী পরিবারে বসবাস করে আসছেন । আমেনা || খাতুনকে এলাকার জনগণ একজন ভাগ্যবতি ও রত্নগর্ভা মা হিসেবে গণ্য করে এবং অত্র পরিবারের সকল সদস্যগণের সমাজে প্রতিষ্ঠার পিছনে তাঁর অবদান শতভাগ বলে সবাই মনে করে । আমরা আমেনা খাতুনের সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By SmartiTHost
x