Logo
শিরোনাম
রমানাথপুরসহ কয়েকটি গ্রামের অর্ধশত পরিবার পেলো  ঈদ সামগ্রী উপহার কুয়াবাসী গ্রামের ১০০ পরিবার পেলো ঈদ উপহার কবিতা ভালোবাসার লাল গোলাপ কবি সাজিয়া আফরিন কবি -পিএম. জাহিদের ধারাবাহিক সিরিজ কবিতা ” নীলকষ্টের পরিক্রমা ২” আমি ছুয়ে যাই শিরোনামে কবি হাবিবুর রহমানের লেখা কবিতা কবি সাজিয়া আফরিনের কবিতা “এইতো জীবন “। কবি পি এম জাহিদের ধারাবাহিক কবিতা “নীলকষ্ঠের পরিক্রমা-০১” নোবেলের ‘মেহেরবান’ আসছে ২৫ রোজার পর কবি মোঃ আমিনুল ইসলাম মিন্টুর সমসাময়িক পরিস্থিতির কবিতা ” সমাজ এখন জিম্মি “। পাবনায়১২ কেজি গাঁজাসহ এসআই ওছিম গ্রেপ্তার। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পরিদর্শন করলেন এসপি খাইরুল আলম কুষ্টিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অবরুদ্ধ কৃষক সৈয়দ বেলাল হোসেন পাবেল এর নেতৃত্বে ধান কাটলো পটুয়াখালী জেলা ছাত্র লীগ সাতদিনেই ভেঙ্গে গেলো শ্রাবন্তীর ভালোবাসার সংসার ভোলায় এক মাসে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৫ হাজারের অধিক ॥ পানিতে মিলেছে ডায়রিয়া জীবানু সিংড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ মেম্বার সহ আহত -৯ বিশ্ব বই দিবস আজ: যেভাবে এলো দিনটি কবি পিএম. জাহিদের মেথরের বেটি- ২ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রিমা নামের এক নববধূর লাশ উদ্ধার

বিশ্ব বই দিবস আজ: যেভাবে এলো দিনটি

আজ ২৩ এপ্রিল বিশ্ব বই দিবস। ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। বই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো, বই পড়া, বই ছাপানো, বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো। তবে এই বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দিনটিও লকডাউনে আবদ্ধ। দিবসটি উপলক্ষে সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিক কোন আয়োজনও নেই।

বিশ্ব বই দিবসের মূল ধারণাটি আসে স্পেনের লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেসের কাছ থেকে। ১৬১৬ সালের ২৩ এপ্রিল মারা যান স্পেনের আরেক বিখ্যাত লেখক মিগেল দে থের্ভান্তেস। আন্দ্রেস ছিলেন তার ভাবশিষ্য। নিজের প্রিয় লেখককে স্মরণীয় করে রাখতেই ১৯২৩ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে আন্দ্রেস স্পেনে পালন করা শুরু করেন বিশ্ব বই দিবস। এরপর দাবি ওঠে প্রতিবছরই দিবসটি পালন করার। অবশ্য সে দাবি তখন নজরে আসেনি কারোই। বহুদিন অপেক্ষা করতে হয় দিনটি বাস্তবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য।

 

অবশেষে ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে বিশ্ব বই দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং পালন করতে শুরু করে। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিবছর ২৩ এপ্রিল বিশ্ব বই দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ২৩ এপ্রিল শুধুমাত্র বিশ্ব বই দিবসই নয়, শেক্সপিয়র, সত্যজিৎ রায়, ইনকা গার্সিলাসো ডে লা ভেগাসহ প্রমুখ খ্যাতিমান সাহিত্যিকদের জন্ম ও প্রয়ান দিবসও। আর এ কারণেও ২৩ এপ্রিলকে বিশ্ব বই দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই।

মনিষীদের মতে নীচের দশটি কারণে প্রতিটি মানুষেরই নিয়মিত বই পড়া দরকার-

১) মানসিক উদ্দীপনা বাড়াতে-স্থবির মনের উদ্দীপনা বাড়াতে বইয়ের চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারেনা।

২) স্ট্রেস কমানো- খুবই মানসিক চিন্তায় আছেন। সুন্দর একটি বই পড়া শুরু করুন। দেখবেন অবসাদ কমে যাচ্ছে।

 

৩)জ্ঞান বাড়াতে- কথা একটাই বই হলো জ্ঞানের ভাণ্ডার।

৪) শব্দভান্ডার বিস্তার- একমাত্র বই পড়ার মাধ্যমেই আপনি নতুন শব্দভাণ্ডারে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।

৫)স্মৃতি উন্নয়ন-বই আপনার স্মরণশক্তি বাড়াতে দারুন এক কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

 

৬) বিশ্লেষণাত্মক চিন্তার দক্ষতা- বই পড়ার মাধ্যমে আপনার যেকোনো একটা বিষয়ে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অথবা দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

৭)চিন্তার উৎকর্ষতা – শুধু যে আপনি ভালো বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অর্জন করবেন তা না। ভালো বই পাঠ চিন্তার উৎকর্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৮)ভাল লেখার ক্ষমতা- বই পড়লে শুদ্ধ করে, সুন্দর শব্দ চয়নে লিখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৯)প্রশান্তি- মানসিক প্রশান্তি বাড়াতে বই এর চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারেনা।

১০) বিনোদন-নির্জনতায় নিজের মতো করে শব্দহীন বিনোদন চান। নিজের মাঝে নির্মল পরিবেশের সুন্দর একটি আবহ তৈরী করতে চান। তবে বই, বই আর বই।

আজ বিশ্ব বই দিবসে লেখক, পাঠক, মুদ্রাকর, ছাপাকর্মী, বইয়ের বিপণনকারী এক কথায় বইয়ের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে বিশ্ববই দিবসের শুভেচ্ছা। বই পড়ি, জীবন গড়ি।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Categories

Theme Created By ThemesWala.Com