Dhaka , Tuesday, 27 February 2024
www.dainikchalonbilerkotha.com

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) ওরশ শুরু ১ মার্চ

 

নিউজ ডেস্ক দৈনিক চলনবিলের কথা

উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলাম প্রচারক শাহান শাহে তরিকত, ওলিয়ে-কামেল হযরত শাহ সুফি খাজা বাবা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর ওরশ আগামী ১ মার্চ, ১৬ ফাল্গুন বুধবার হতে শুরু হবে।

তিন দিনব্যাপী বাৎসরিক ১০৮ তম ওরশ এদিন বাদ জোহর মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর সত্য তরিকার ‘আল্লাহু আকবার’ লেখা ঝান্ডা (নিশান) উড়িয়ে শুরু হবে।

দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন এজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এদিকে ওরশ শরীফের আয়োজন বর্ণাঢ্য করতে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এনায়েতপুর-সিরাজগঞ্জ ২০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরী করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন তোরণ ও এনায়েতপুর জুড়ে করা হয়েছে আলোকসজ্জা।

জানা যায়, ইসলামের শান্তির বাণী প্রচারে পৃথিবীতে মোজাদ্দেদ গনের আগমনের ধারাবাহিকতায় হযরত খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) ত্রয়োদশ তম (১৩ তম) মোজাদ্দেদ হিসেবে আবির্ভূত হন। তার বাবা শাহ আব্দুল করিম (রঃ), মা তাহমিনা বেগম (রঃ) এর ২ ছেলে ১ মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

একদিন খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) মা তাহমিনা বেগম (রঃ) হঠাৎ এক রাতে ঘুমে স্বপ্ন দেখেন, দক্ষিন-পশ্চিম আকাশে সুর্য্য উদিত হচ্ছে। সবাই ঐদিকে সেজদা করছে। পরদিন সকালে শুনতে পান ভারতের প্রখ্যাত পীর খাজা ওয়াজেদ আলী (রঃ) শাহজাদপুর উপজেলার চিনা ধুকুরিয়া এনায়েতপুর দরবার শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছেন। এলাকার মুরুব্বীদের সাথে ১৭ বছর বয়স্ক খাজা ইউনুছ আলী (রঃ) কে সেখানে পাঠান তিনি। অনুসারীদের নিয়ে ইসলামী আলোকপাত করা কালে সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ অতিবাহিত হচ্ছিল। তবে উপস্থিত কেউ তাকে বিষয়টি অবহিত করতে সাহস পাচ্ছিলেন না। তখন তিনি সম্মানের সাথে দাঁড়িয়ে ‘নামাজকা ওয়াক্ত যা রাহা’ বললে ওয়াজেদ আলী (রঃ) আলোচনা রেখে সবাইকে নিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর হুজুর তাকে ডেকে নিয়ে কথা বলে সন্তুষ্ট হন। এক পর্যায়ে তাকে দরবারে নিয়ে কোলকাতার হুগলীর দারুল উলুম মাদ্রাসায় পড়িয়ে টাইটেল পাশ করেন।

এক পর্যায়ে খাজা সৈয়দ ওয়াজেদ আলী (রঃ) এর ইসলাম ও সুফিবাদের দর্শন ভারতের আসাম সহ সাড়া বাংলায় প্রচারে ২৪ লাখ মুরিদ ও খেলাফত প্রাপ্ত ৫৬ জন খলিফাদের মধ্যে ভোগ বিলাসী জীবনের বিরোধী খাজা ইউনুস আলী (রঃ) সর্বশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত হন। কিছু দিন অতিবাহিত হলে নিজ ভূম সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে খানকা স্থাপন করে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর শান্তির তরিকা ও আদর্শের সুফী বাদের প্রচার শুরু করেন। পাশাপাশি এখানেই তিনি বিয়ে করে সংসার জীবনে ৮ কন্যা এবং ৫ ছেলে সন্তানের জনক হন।

পরবর্তীতে সমগ্র বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের আসামে সফর করে ইসলাম ও সুফিবাদ প্রচারের পাশাপাশি মানবিক কাজে সকলকে উৎসাহিত করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান সহ অসহায় মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকায় খাজা এনায়েতপুরীকে ভক্তবৃন্দ সুলতানুল আউলিয়া এবং চিরস্থায়ী সংস্কারের জন্য ‘আখেরী মুজাদ্দেদ’ বলে অভিহত করেন।

এরপর ১৯১৬ সালে এনায়েতপুর পাক দরবার শরীফে তার পীর খাজা সৈয়দ ওয়াজেদ আলী মেহেদী বাগী (রঃ) এর নির্দেশে অনুসারীদের নিয়ে ধর্মীয় আলোচনা, জিকির, হামদ-নাত, গজল পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে ইসলামের আদর্শে জীবন পরিচালনার আহবানের ওরশ মোবারক শুরু করেন। ধীরে-ধীরে অগনিত ভক্তদের আগমনে তা মহাসমাবেশে রুপ নেয়। এরপর হতে দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষের আহবানে সম্মিলিত উদ্যোগ, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় প্রতি বছরই দেশ-বিদেশের অনুসারী লাখ-লাখ ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীদের অংশগ্রহনে ধর্মীয় মহাসমাবেশ ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এরই এক পর্যায়ে সংস্পর্শে এসে আদর্শিক আলোর পথের দিশারী হিসেবে ১ হাজার ২৫০ জন পীর আওলিয়া তার খেলাফত প্রাপ্ত হন। এর মধ্যে ময়মনসিংহের খাজা মোহাম্মদ ছাইফুদ্দীন শম্ভুগঞ্জী পীর, ফরিদপুরের সদরপুরের প্রখ্যাত হযরত মাওঃ হাসমত উল্লাহ আটরশির পীর, মাওঃ সুলতান আহম্মেদ চন্দ্রপাড়ার পীর, টাঙ্গাইল মাওঃ মকিম উদ্দিন প্যারাডাইজ পাড়া, কুমিল্লার ইসলামাবাদ, মাতুয়াইল, জামালপুরের সাধুরপাড়া মোসলেম নগর, যশোরের ঘুনী দরবার শরীফ, ভারতের আসামের গণি খলিফার দরবার শরীফ অন্যতম। তারা একই ভাবে খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) সুফিবাদের আদর্শ ও ইসলাম প্রচার করছেন।

মহান মুর্শিদ খাজা বাবা ইউনুছ আলী (রঃ) বাংলা ১৩৫৮ সনের ১৮ ফাল্গুন পরলোক গমন করেন। অতীতে তার দরবারে প্রতি ইংরেজী বছরের শুরুতেই ওরশ হলেও তৃতীয় বছরের মত ১০৮তম ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হবে ৭১তম ইন্তেকাল দিবসে। এ লক্ষে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহন করেছে এনায়েতপুর পাক দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ।

এবছর ১০৮তম এই বাৎসরিক ৩ দিনব্যাপী ওরশ আগামী ১ মার্চ বুধবার ১৬ ফাল্গুন বাদ জোহর দরবার শরীফের সুউচ্চ খুঁটিতে ‘আল্লাহু আকবার’ আরবি খচিত ঝান্ডা উড়িয়ে মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে। এর সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন দরবারের সাজ্জাদান্নীশিন হুজুরপাক খাজা কামাল উদ্দিন নুহু মিয়া।

এ উপলক্ষে ভারতের আসাম, এ দেশীয় বংশতভুত ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, অন্যান্য দেশ সহ সারা দেশের ধর্মপ্রাণ লাখ-লাখ মুসুল্লীরা অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। তাদের থাকা-খাওয়া, ওজু-গোসল সহ সকল ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছে দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ।

আগামী ১৮ ফাল্গুন ৩ মার্চ শুক্রবার সকাল ৯টায় আখেরী মোনাজাতে দরবার শরীফের বর্তমান সাজ্জাদান্নীশীন হুজুর পাক হযরত খাজা কামাল উদ্দিন নুহু মিয়ার মোনাজাত পরিচালনায় বিশ্ব মানবতার মঙ্গল কামনা করে ঐতিহ্যের এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সমাপ্ত হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) ওরশ শুরু ১ মার্চ

আপডেটের সময় 03:33 pm, Monday, 27 February 2023

 

নিউজ ডেস্ক দৈনিক চলনবিলের কথা

উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলাম প্রচারক শাহান শাহে তরিকত, ওলিয়ে-কামেল হযরত শাহ সুফি খাজা বাবা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর ওরশ আগামী ১ মার্চ, ১৬ ফাল্গুন বুধবার হতে শুরু হবে।

তিন দিনব্যাপী বাৎসরিক ১০৮ তম ওরশ এদিন বাদ জোহর মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর সত্য তরিকার ‘আল্লাহু আকবার’ লেখা ঝান্ডা (নিশান) উড়িয়ে শুরু হবে।

দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন এজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এদিকে ওরশ শরীফের আয়োজন বর্ণাঢ্য করতে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এনায়েতপুর-সিরাজগঞ্জ ২০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরী করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন তোরণ ও এনায়েতপুর জুড়ে করা হয়েছে আলোকসজ্জা।

জানা যায়, ইসলামের শান্তির বাণী প্রচারে পৃথিবীতে মোজাদ্দেদ গনের আগমনের ধারাবাহিকতায় হযরত খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ) ত্রয়োদশ তম (১৩ তম) মোজাদ্দেদ হিসেবে আবির্ভূত হন। তার বাবা শাহ আব্দুল করিম (রঃ), মা তাহমিনা বেগম (রঃ) এর ২ ছেলে ১ মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

একদিন খাজা এনায়েতপুরী (রঃ) মা তাহমিনা বেগম (রঃ) হঠাৎ এক রাতে ঘুমে স্বপ্ন দেখেন, দক্ষিন-পশ্চিম আকাশে সুর্য্য উদিত হচ্ছে। সবাই ঐদিকে সেজদা করছে। পরদিন সকালে শুনতে পান ভারতের প্রখ্যাত পীর খাজা ওয়াজেদ আলী (রঃ) শাহজাদপুর উপজেলার চিনা ধুকুরিয়া এনায়েতপুর দরবার শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছেন। এলাকার মুরুব্বীদের সাথে ১৭ বছর বয়স্ক খাজা ইউনুছ আলী (রঃ) কে সেখানে পাঠান তিনি। অনুসারীদের নিয়ে ইসলামী আলোকপাত করা কালে সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ অতিবাহিত হচ্ছিল। তবে উপস্থিত কেউ তাকে বিষয়টি অবহিত করতে সাহস পাচ্ছিলেন না। তখন তিনি সম্মানের সাথে দাঁড়িয়ে ‘নামাজকা ওয়াক্ত যা রাহা’ বললে ওয়াজেদ আলী (রঃ) আলোচনা রেখে সবাইকে নিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর হুজুর তাকে ডেকে নিয়ে কথা বলে সন্তুষ্ট হন। এক পর্যায়ে তাকে দরবারে নিয়ে কোলকাতার হুগলীর দারুল উলুম মাদ্রাসায় পড়িয়ে টাইটেল পাশ করেন।

এক পর্যায়ে খাজা সৈয়দ ওয়াজেদ আলী (রঃ) এর ইসলাম ও সুফিবাদের দর্শন ভারতের আসাম সহ সাড়া বাংলায় প্রচারে ২৪ লাখ মুরিদ ও খেলাফত প্রাপ্ত ৫৬ জন খলিফাদের মধ্যে ভোগ বিলাসী জীবনের বিরোধী খাজা ইউনুস আলী (রঃ) সর্বশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত হন। কিছু দিন অতিবাহিত হলে নিজ ভূম সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে খানকা স্থাপন করে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর শান্তির তরিকা ও আদর্শের সুফী বাদের প্রচার শুরু করেন। পাশাপাশি এখানেই তিনি বিয়ে করে সংসার জীবনে ৮ কন্যা এবং ৫ ছেলে সন্তানের জনক হন।

পরবর্তীতে সমগ্র বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের আসামে সফর করে ইসলাম ও সুফিবাদ প্রচারের পাশাপাশি মানবিক কাজে সকলকে উৎসাহিত করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান সহ অসহায় মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকায় খাজা এনায়েতপুরীকে ভক্তবৃন্দ সুলতানুল আউলিয়া এবং চিরস্থায়ী সংস্কারের জন্য ‘আখেরী মুজাদ্দেদ’ বলে অভিহত করেন।

এরপর ১৯১৬ সালে এনায়েতপুর পাক দরবার শরীফে তার পীর খাজা সৈয়দ ওয়াজেদ আলী মেহেদী বাগী (রঃ) এর নির্দেশে অনুসারীদের নিয়ে ধর্মীয় আলোচনা, জিকির, হামদ-নাত, গজল পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে ইসলামের আদর্শে জীবন পরিচালনার আহবানের ওরশ মোবারক শুরু করেন। ধীরে-ধীরে অগনিত ভক্তদের আগমনে তা মহাসমাবেশে রুপ নেয়। এরপর হতে দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষের আহবানে সম্মিলিত উদ্যোগ, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় প্রতি বছরই দেশ-বিদেশের অনুসারী লাখ-লাখ ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীদের অংশগ্রহনে ধর্মীয় মহাসমাবেশ ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এরই এক পর্যায়ে সংস্পর্শে এসে আদর্শিক আলোর পথের দিশারী হিসেবে ১ হাজার ২৫০ জন পীর আওলিয়া তার খেলাফত প্রাপ্ত হন। এর মধ্যে ময়মনসিংহের খাজা মোহাম্মদ ছাইফুদ্দীন শম্ভুগঞ্জী পীর, ফরিদপুরের সদরপুরের প্রখ্যাত হযরত মাওঃ হাসমত উল্লাহ আটরশির পীর, মাওঃ সুলতান আহম্মেদ চন্দ্রপাড়ার পীর, টাঙ্গাইল মাওঃ মকিম উদ্দিন প্যারাডাইজ পাড়া, কুমিল্লার ইসলামাবাদ, মাতুয়াইল, জামালপুরের সাধুরপাড়া মোসলেম নগর, যশোরের ঘুনী দরবার শরীফ, ভারতের আসামের গণি খলিফার দরবার শরীফ অন্যতম। তারা একই ভাবে খাজা ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) সুফিবাদের আদর্শ ও ইসলাম প্রচার করছেন।

মহান মুর্শিদ খাজা বাবা ইউনুছ আলী (রঃ) বাংলা ১৩৫৮ সনের ১৮ ফাল্গুন পরলোক গমন করেন। অতীতে তার দরবারে প্রতি ইংরেজী বছরের শুরুতেই ওরশ হলেও তৃতীয় বছরের মত ১০৮তম ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হবে ৭১তম ইন্তেকাল দিবসে। এ লক্ষে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহন করেছে এনায়েতপুর পাক দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ।

এবছর ১০৮তম এই বাৎসরিক ৩ দিনব্যাপী ওরশ আগামী ১ মার্চ বুধবার ১৬ ফাল্গুন বাদ জোহর দরবার শরীফের সুউচ্চ খুঁটিতে ‘আল্লাহু আকবার’ আরবি খচিত ঝান্ডা উড়িয়ে মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শুরু হবে। এর সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন দরবারের সাজ্জাদান্নীশিন হুজুরপাক খাজা কামাল উদ্দিন নুহু মিয়া।

এ উপলক্ষে ভারতের আসাম, এ দেশীয় বংশতভুত ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, অন্যান্য দেশ সহ সারা দেশের ধর্মপ্রাণ লাখ-লাখ মুসুল্লীরা অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। তাদের থাকা-খাওয়া, ওজু-গোসল সহ সকল ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছে দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ।

আগামী ১৮ ফাল্গুন ৩ মার্চ শুক্রবার সকাল ৯টায় আখেরী মোনাজাতে দরবার শরীফের বর্তমান সাজ্জাদান্নীশীন হুজুর পাক হযরত খাজা কামাল উদ্দিন নুহু মিয়ার মোনাজাত পরিচালনায় বিশ্ব মানবতার মঙ্গল কামনা করে ঐতিহ্যের এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সমাপ্ত হবে।